জাহাঙ্গীরনগরের বিশেষ পাখি উৎসব: শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা
জাহাঙ্গীরনগরের বিশেষ পাখি উৎসব: শিক্ষার্থীদের এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য সবার কাছেই পরিচিত। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল পাখি উৎসব। এই উৎসব প্রতিবছর শীতকালীন মৌসুমে অনুষ্ঠিত হয়, যখন দেশি-বিদেশি পাখি ক্যাম্পাসের লেকগুলোতে এসে ভিড় জমায়। পাখি প্রেমীদের জন্য এটি একটি আনন্দের দিন।
উৎসবের সূচনা এবং তাৎপর্য
পাখি উৎসব শুরু হয়েছিল জাহাঙ্গীরনগরের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ এবং স্থানীয় পাখি গবেষকদের উদ্যোগে।
- উদ্দেশ্য: পাখি সংরক্ষণ এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি।
- উৎসবটি জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রকৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার একটি মাধ্যম।
কী থাকে পাখি উৎসবে?
- পাখি পর্যবেক্ষণ:
শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন লেকে গিয়ে দূরবীণ দিয়ে পাখি দেখে। - পাখি ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা:
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পাখির ছবি তোলার প্রতিযোগিতা। - সেমিনার ও ওয়ার্কশপ:
পাখি সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা। - প্রদর্শনী:
বিভিন্ন তথ্যচিত্র এবং পাখি সম্পর্কিত সামগ্রী প্রদর্শন।
শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা
প্রথমবারের মতো উৎসবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন:
“পাখি পর্যবেক্ষণ এক অন্যরকম অনুভূতি। প্রকৃতির সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ খুব কমই আসে।”
অনেক শিক্ষার্থী এই উৎসবে তাদের প্রথম ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডও জেতে।
কেন এটি বিশেষ?
- জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে।
- স্মৃতিময় দিন: পাখি ফটোগ্রাফি আর আড্ডায় কাটানো সময়।
- শিক্ষণীয় দিক: পাখি সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি।
আরও জানুন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাখি উৎসব শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা। এটি শুধু আনন্দের নয়, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেয়।
