বায়োলজিতে পড়ার সুবাদে বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার কি উচিৎ? একজন পেছনের সারির ছাত্র হিসেবে আমার এখন চিন্তা করা দরকার প্রচুর। পরীক্ষার আগের রাতেও চিন্তা করেছি এইবার কোন কৌশল অবলম্বন করলে স্যারদের চোখ ফাঁকি দেয়া সহজ হবে! পরীক্ষার খাতাটা উন্নত করার কোন চিন্তা মাথাতে ছিল না, ছিল শুধু পাশ মার্কটা কিভাবে আদায়আরো পড়ুন

ঘুম ঘুম চোখে ক্লাসে ঢুকি। সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী গুরুজনদের একপেশে তত্ত্বীয় কথাগুলো একঘেয়েমির তীক্ষ্ণ ফলা হয়ে ঢুকে এফোঁড়ওফোঁড় করে দেয় মস্তিষ্কের মানচিত্র। চারপাশটায় চোখ বুলালে মনে হয় – ভুল করে হয়তো ঢুকে পরেছি কোন কিন্ডারগার্ডেনে।অসহ্য ক্লান্তি নিয়ে বের হয়ে যাই মুরাদ চত্ত্বর।ফার্স্ট ইয়ারে যেখানে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্যেও ফাঁপড়ের ভয়েআরো পড়ুন

করোনার দিন শেষ হবে একদিন। মেট্রোপলিটনের এই বিষাক্ত বাতাস ছেড়ে আমি গাবতলি পাড় করে জাহাঙ্গীরনগর আসবো। শহরের নিখাদ জ্যাম শেষে গাবতলি ব্রিজের আগে বাজে গন্ধটা আমার কাছে পরিচিত মনে হবে, স্বস্তি লাগবে। তখন হয়তো শীতকাল! ঢাকায় যখন আমার গায়ে জ্যাকেট দেখে যেসব মানুষ ভুরু কুঁচকে তাকাচ্ছিলো তাদের কথা ভেবে আমিআরো পড়ুন

ঘটনা গুলো কীভাবে শুরু করব আর কীভাবে জোড়া দিব তা নিয়ে একটু দ্বিধান্বিত। এক জৈষ্ঠ্যমাসের গোধুলীক্ষণে গেরুয়ার বাজারে দই চিড়া খেতে গিয়েছিলাম। এইটা ছিল বিকাশ পরবর্তী টাকা ভাংতি করার দইচিড়া। হঠাৎ তারা ওস্তাদের রিক্সার গ্যারেজের থেকে হট্টগোল। খাওয়া শেষে আয়েশ করে ঠোটে সিগারেট গুজে গ্যারেজের দিকে গেলাম৷ গিয়ে বুঝলাম ইসমাইলআরো পড়ুন

পৃথিবী তুমি সুস্থ হলে আমি জাহাঙ্গীরনগর যাবো! ক্যাম্পাসের বাসের সবার সামনের সিটে পায়ের উপর পা তুলে এম.এইচ গেইট দিয়ে ঢুকবো! বাসের গায়ে আলতো করে হাত বুলিয়ে দিবে অসংখ্য গাছ! নয়তো কোন শুভযাত্রা বা ওয়েলকাম বাসেই আসলাম। ডেইরী নামবো না প্রান্তিক, ট্রান্সপোর্ট নামবো না কবির স্বরণী তা নিয়ে একটু কনফিউজড হবো।আরো পড়ুন

সোজা একটা ইটের রাস্তা। রাস্তার দুই ধারে ঝোপের মত কিছু গাছ। একটা সাজানো গোছানো বাগান। রাস্তাটা ধরে সোজা এগিয়ে গেলেই রাস্তাটা দুই মুখ নেয়। এক দিকে রাস্তাটা কিছু সেগুন গাছের ছায়ার মাঝে অন্ধাকারে মিলেয়ে গেছে। আরেকদিকে রাস্তাটা মিশে গেছে বটতলার মোড়ের দিকে। হল থেকে বের হয়ে এখানে দাঁড়িয়ে বটতলার দিকেআরো পড়ুন